কত যুগ আর নিয়ন্ত্রণ করবে হে চিনা জাতি?
কতকাল আর আধিপত্য গরবে সারা বিশ্বে?
তোমার শাসনে ও গর্জনে সব কর্মস্থল কাপে,
শোষণ ও নির্যাতনে কেঁপে উঠে সারা বিশ্ব।
সুদূর চীন থেকে এসে আজ কত দেশ জুড়ে,
আধিপত্য বিস্তার করছ পুরো বিশ্ব জুড়ে।
মালয়েশিয়া,তাইওয়ান, ইন্দোনেশিয়া, হংকং,
মঙ্গোলিয়া, থাইল্যান্ড, কোরিয়া ও জাপান।
পৃথিবীর যত লোক তোমার কর্মস্থলে আসে,
সকল কর্মীরা নির্যাতিত হয় ভয়ে মরে ত্রাসে।
বাঙ্গালীরা টাকার অভাবে তোমার বেগার খাটে,
কুলী আর দিনমজুর হয়ে তাদের দিন কাটে।
শ্রমিকরা খেটে মরে তোমার সকল কাজে,
তাদেরকে ঝাড়ি দেয়া তোমার কি সাজে?
কুকুর আর বিড়ালছানা কত তোমার দামী,
বাঙ্গালী তোমার কাছে কুকুরের চেয়েও কমদামী।
গরু আর মহিষকে যেমন লাঙল টানাই গায়ে,
তার চেয়েও কঠিন বোঝা বাঙ্গালীর কাঁধে।
দু টাকার মাইনে দিয়ে ঘানি টানাও তাকে,
হাজার টাকা উশুল করো তোমার কোম্পানিতে।
তোমার হিস্রতার শিকার বিশ্বের সকল কর্মী,
বাঙ্গালীরা তার মধ্যে আজ প্রধান বলেই জানি,
গরু মেরে জুতা দান যদি কেউ দেখতে চাও?
বাঙ্গালীকে চিনা কিভাবে খাটায় তা দেখে যাও।
কত বাঙ্গালী দেশে এসে আজো কত কিযে বলে,
দালালী করে চিনা জাতির, বাহবা দিয়ে চলে।
ঠক বলো, প্রতারক, ধোঁকাবাজই বা বলো,
যেনামেই ডাকো তুমি আজো সবই মানাই ভালো।
যেখানেই বাঙালি আছে চিরকাল আমাদেরই ভাই,
বাঙালিদের ভালবাসি যে যেখানেই আজ থাকুক।
বাঙালির অসম্মান আজও কোথাও ঠাঁই নেই,
চীনা জাতিকে আজ সর্বত্রই ঘৃণা ছুঁড়ে দেই।