Manzurpandulipi

বলাৎকারমো: মঞ্জুর মোর্শেদ

ধিক্কার দেই, মানব নামের নরাধম নরপশু কে,
শিশু ও ছোট বালিকা যাহার নিস্তার আর নাই যে।
ছোট্ট শিশু,ছোট্ট মেয়ে আজ নিষ্পাপ হয়ে বাঁচে,
কতযে নরাধম নরপশু আজ সমাজে পিছনে লাগে।

ছোট্ট হৃদয়ে, ছোট্ট মানব আজও মুখে দুধের গন্ধ,
নরাধম নরপশুর রিদয়ে বাজে আজ কত না ষড়যন্ত্র।
কেউ বা শিশুকে বলাৎকার করে কুচি কুচি করে কেটে,
বানের জলে ভাসিয়ে দেয় তারা আজ রক্তগঙ্গার স্নানে।

শিশুকে আজ কেউবা পোড়ায়, কেউবা জবেহ করে,
কেউবা ছাদের নিচে ফেলে দেয়, কেউ ফালি ফালি করে।
কেউবা তাহাকে ডুবিয়ে মারে, কেউবা শ্বাসরোধ করে,
ধর্ষনের পর ,হত্যা করাটা বাঁচার একমাত্র অবলম্বন ভাবে।

শিশুর হাতে ছোট ছোট চুরি,আছে ছোট ছোট দুটি গাল,
ছোট ঋদয়ের হাসি আনন্দ আজ বাবা মায়ের স্নেহে ম্লান।
কচি হাত পা, আধ আধ কথা, কোটি লক্ষ মানব শিশু,
জান্নাতের দার ধরায় নামে, কেনো লাগবে নরপশু পিছু। 

শিশুর মতো কোমল মানব আজ যত পৃথিবীতে আছে,
সকলে মোদের নিজ কন্যা ও নিজ পুত্র বলেই আছে।
তারা নয় আজ ভোগের পাত্র,আজ নয় নৃশংস শিকার,
পুরুষ নামক নরপশুকে আজ কে দিয়েছে এত অধিকার?

যেসব দেখে গায়ের রোম খাড়া হয়, ঘেমে উঠি সর্বত্র,
শাস্তি হয় তাও লাভ হয়না, নরপশু জেগে উঠে সর্বত্র। 
কারাদণ্ড হয় , ফাঁসি দেখে তবু কালে কালে উদয় হয়,
ফেরাউনের দল ধ্বংস হয়েও আবার নতুন জাগ্রত হয়।

পিতা মাতা তার নিদ্রা নেইকো ক্ষণে ক্ষণে কেঁদে উঠে,
আধ আধ মুখে ডাকছে তাহাকে ঘামে ভিজে বিছানাতে।
শিশুর কোমল হৃদয়ের কান্না, শিশুর বাবা মা শুনতে পায়,
ঋদয় নিংড়ানো গোংরা কান্না স্বয়ং বিধাতা শুনতে পায়।

সমাজকে বলি যে শাস্তি দেখে,নরপশু হচ্ছেনা আজ ক্ষান্ত,
সমাজের লোক ঝড় তুলে দাও, দেখিয়ে দাও জলজ্যান্ত।
ফাঁসি দেখেও তারা নতুন করে দেখি আবার আবির্ভাব হয়,
হাজত, ফাসীকে সাধারণ ভেবে শিশু বলাৎকার করে যায়।

সমাজকে বলি জাগো ভাই জাগো ফুঁসে উঠ আজ ধরণীতে,
সাধারণ শাস্তির কি দাম আছে নরপশু আজ জেগে উঠে।
এমন অবস্থায় শিশু নামের আজ একটি ফুলকে বাঁচাবে?
কুচি কুচি করে নরপশু কাটো , পুড়িয়ে তাহাকে মারিবে।

যদি না শুধরায় কাটা ঘায়ে তাহাকে লবণ ছুরিয়া মারিবে,
শিশুকে বাঁচাতে নরপশু বলি যত খুশি দিতে থাকিবে।
শুলেতে চড়াও , জবেহ করো, শিরচ্ছেদ তাহাকে করো,
শিশুকে বাঁচাতে নরবলি দাও, নরপশু বিসর্জন করো।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to Top