কত ছলনা জানো তুমি অসতী নারী?
তোমার লীলা বোঝা বড় দায়।
তোমার দাপটে আজ হেরে যায় মানুষ,
তুমি জিতে যাও সকল খেলায়।
তোমার কাছে আছে কত বড় অস্ত্র,
সেতো কেবল তুমি ভালো জানো।
তোমার ইজ্জত ঢেলে দিয়ে সর্বত্রই,
নিজের স্বার্থ হাসিল করো কেনো?।
তোমার এই নোংরা ক্ষমতা সর্বত্রই,
প্রয়োগ করো যেখানে যত খুশি।
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান,অফিস আদালত,
ব্যাংক, বীমায় বাদ পড়েনি কিছু।
কখনও কেউ যদি তোমার শত্রু হয়,
তুমি শত্রুর পিছু লাগো যত খুশি।
তার বন্ধুদের নিজের ইজ্জত ঢেলে,
প্রতিশোধ নাও ইচ্ছেমত যত খুশি।
অফিস আদালতে তুমি বড় অফিসার,
বস তোমাকে পদোন্নতি করে দিছে।
তুমি তাই আজ অফিসের যত কর্মীকে,
ঝাড়ি মার আরো অপমান কতকিযে?
নারী মানে ছিল কোমল মিষ্টি মানব,
নারী মানে ছিল মমতায় আঁচলঘেরা।
নারী ছিল শত বন্ধু ও সমাজের লোকের,
ভাঙ্গা সম্পর্ক জোড়ায় লাগিয়ে দেয়া।
অসতী নারী ডাইনির চেয়েও কঠিন,
শুধু জানে সব অপবিত্র করে ফেলা।
নিজের স্বার্থে ইজ্জত বিলিয়ে দেয়,
যেখানে সেখানে অন্যকে হাত করা।
অসতী নারীর কারণে শত শত হচ্ছে,
বন্ধুদের মাঝে সম্পর্কের যত ভাঙন।
কেউবা তার নারকীয় দুষ্ট থাবায়,
সহকর্মীদের ব্যবহারে ঘটছে যত মরণ।
কেউবা এমন পরিস্থিতির স্বীকার হয়ে,
অফিস,শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ছেড়ে চলে যায়।
কেউবা নিজের নিরুপায় মন নিয়ে,
অসতির সাথে হাতে হাত মিলিয়ে যায়।
অসতী পারেনা এমন কিছু নেইকো,
স্বামী স্ত্রীর সম্পর্কে জ্বলে হিংসায়।
প্রয়োজন হলে কোনো স্ত্রীর স্বামীকে,
ভাগিয়ে নিয়ে নিজের স্বামী করে নেয়।
অসতী নারীর অসাধ্য বলে কিছু,
ধরাধামে নেই কখনই কোনোদিন।
অসতী নারী আজ অসুচিকর বলে মানি,
সমাজে উচ্ছেদ কর তাকে প্রতিদিন।