প্রতিহিংসা ছাড়ো মঞ্জুর মোর্শেদ সমাজের লোকে ভুগছে সকলে , প্রতিহিংসার আগুনে। জীবিকা নামের প্রতিযোগিতায়, জিততে হবে যে ভুবনে। প্রতিহিংসায় জ্বলে পুড়ে মানব, করছে যে কত হ*ত্যা। কখনও নেতা, কখনও পুলিশ, কখনও মুক্তিযোদ্ধা। কখনও লেখক, কখনও ব্লগার, কখনও নাট্যশিল্পী। কখনও নায়ক, কখনও ব্যাবসায়ী, কখনও গণমাধ্যমকর্মী। কখনও ভাবনা প্রতিযোগিতায়, কিভাবে এগিয়ে যাবো? সাধনা করে আজ নিজ লক্ষ্যে, নিজেই পৌঁছে যাবো। নিজ গন্তব্যে যদি পৌঁছাতে চাও, কঠোর সাধনা করো। প্রতিযোগিতায় নিজের অবস্থান, নিজেই গড়িয়া তোলো। বর্তমানে করছো তোমরা, হিংসার বীজ বপন। প্রতিভাবান দের হ*ত্যা করে, পরিণতি আজ মরন। হ*ত্যা কখনও হয়না সমাধান, মরণ দশায় ভোগো। প্রতিহিংসার আগুনে সমাজ, তিলে তিলে আজ মরো। সমাজে কি কভু হবেনা কখনও, প্রতিহিংসার অবসান। আধুনিক যুগে হচ্ছে যে শত, বাঙালি ভাইদের বলিদান। তাজা তাজা প্রাণ রক্তে ভেজা, কত যে মায়ের কান্না। ক্ষত বিক্ষত শত লাশের গন্ধে, মনকে ভোলানো যায়না। প্রতিহিংসায় জ্বলে পুড়ে সমাজ, করনাকো আজ ছারখার। জাহিলিয়াতের বর্বরতায় সমাজকে, ধ্বংশ করোনা বার বার।