গ্রামে গফুর নামের এক লোক বাস করত। গ্রামের সকল লোক তাকে গফরা বলে ডাকতো। সে গ্রামের মা বোনদের দিকে কুনজরে তাকাতো এবং সুযোগ পেলেই গ্রামের ভাবীদেরকে কুপ্রস্তাব দিত। গফুরের এই অসৎ চরিত্রের কারণে গ্রামের সবাই তার উপর বিরক্ত ছিল। গফুরের এই অসৎ চরিত্রের কারণে গ্রামবাসীরা তাকে ধরে বেঁধে নিয়ে বিয়ে করিয়ে দেয়। প্রথমে কিছু দিন গফুরের দিন খুব ভালো কাটতে থাকে। গফুরের স্ত্রীর নাম জমিলা। জমিলা ও গফুর পরস্পরকে ভালোবাসে। গফুর ও জমিলার বিয়ের দুই বছর পর গফুর ও জমিলার এক ফুটফুটে কন্যা শিশু হয়। তারা দুজন শিশুটির নাম রাখে টুনি। টুনির জন্মের পরপর গফুর ও জমিলা তার মেয়ে টুনির কোনো সমস্যা ধরতে পারেনি। কিন্তু টুনির যখন দুই বছর বয়স হয় তখন গফুর ও জমিলা বুঝতে পারে তার মেয়ে টুনি ভালোভাবে কথা বলতে পারেনা এবং বুঝতেও পারেনা ঠিকমতো। তখন গফুর বুঝতে পারে তার মেয়ে টুনি বুদ্ধি প্রতিবন্ধী। তারপরও টুনিকে গফুর খুব ভালোবাসত। গফুর টুনিকে আদর করে টুইন্না টুইন্না বলে ডাকতো। টুনি সেরকম বুঝতনা ও কথা বলতে পারতোনা ঠিকমতো। কিন্তু তার বাবাকে সে খুব পছন্দ করত ও চিনতো। সেও বাবাকে মাঝে মাঝে বাব্বি বাব্বি করে ডাকতো। কিছু বছর পর হয়ে গেলো। গফুর সেই আগের মত আবার গ্রামের ভাবীদের কুপ্রস্তাব দেয় ও পরকীয়া করার চেষ্টা করে। গফুরের এই নোংরা কেলেঙ্কারি ধরা পড়ার গফুরের স্ত্রী গফুরের সংসার ত্যাগ করে তার বাপের বাড়ি চলে যায়। গফুর কৃষি কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করত। তাই সে কাজে যাবার আগে পাশের বাড়ীর এক ভাবীকে টুনির প্রতি খেয়াল রাখতে বলতো। কিন্তু এদিকে মা নেই এবং বাবাও কাজে যায়,তাই বাবা মায়ের অনুপস্থিতিতে টুনি একদিন হারিয়ে যায়। গফুর বাড়ীতে এসে অনেক খোজ লাগালো টুনিকে গ্রামের চারপাশের অন্যান্য গ্রামে তাকে পাওয়ার জন্য। কিন্তু টুনিকে আর খুঁজে পাওয়া গেলনা। গফুর কান্নায় ফেটে পড়ল। এরপর অনেক বছর কেটে গেলো।দিনের পর দিন পরকীয়া ও গ্রামের মা বোনদের কুপ্রস্তাব দেয়া ও নোংরা কাজের জন্য গ্রামের মোড়লরা তার উপর বিরক্ত হয়ে যায় এবং একের পর এক গ্রাম সালিশ বসায়। এরপর গফুর গ্রামের পাশের গ্রামে এক পাগলিকে দেখতে পায়। গফুর ভাবে সুস্থ মহিলাদের সাথে নোংরামি করলে গ্রাম সালিশ বসানো হয়। তাই গফুর গ্রাম সালিশ ও আইনের শাস্তির ভয়ে রাতের অন্ধকারে জুলু পাগলিকে ধর্ষণ করে যখন গ্রামের মানুষ ঘুমিয়ে থাকে। এরপরের দিন রাতে জুলু পাগলিকে যখন